পুষ্টি সমস্যা মোকাবেলায় বাজার ব্যবস্থাপনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে - ব্র্যাক ও লানসার গবেষণা স্টাডির তথ্য প্রকাশ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬।  দারিদ্র্য হ্রাসসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য আগ্রগতি অর্জন করলেও পুষ্টি পরিস্থিতিতে সন্তোষজনক অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি। এখনও বাংলাদেশে পাঁচ বছরের নীচে ৭৩ লাখ শিশু খর্বাকার, ৬৫ লাখ শিশু অপেক্ষাকৃত কম ওজনের এবং ২৯ লাখ শিশু শারীরিকভাবে দুর্বল। তাই খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি সমস্যা মোকাবেলায় কৃষিজ উৎপাদনে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি কৃষি খাদ্যের ভ্যালু চেইন বা খামার থেকে বাজারের মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থাপনার বিষয়টিকে এ মুহূর্তে অগ্রাধিকার দিতে হবে।আজ মঙ্গলবার সকালে ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘কৃষি ও পুষ্টির মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন ; বাংলাদেশ প্রেক

ল্যানসা ও ব্র্যাক-এর যৌথ গবেষণার তথ্য উপস্থাপন – শস্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব আনে

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি। ১২ই ডিসেম্বর, ২০১৭। গ্রামীন পর্যায়ে কৃষিতে শস্য ও খাদ্য বৈচিত্র্যকরণ পুস্টির ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখতে সক্ষম। ল্যানসা-ব্র্যাক পরিচালিত দেশের ১১টি জেলার ৫০০ পরিবারের মধ্যে ২০১০-১১ থেকে ২০১৪-১৫ পর্যন্ত পরিচালিত একটি সমীক্ষায় দেখা যায়, জরিপভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে কম ওজনের জনসংখ্যা ৪.৫ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১২ই ডিসেম্বর, ২০১৭) রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত ‘শস্যবৈচিত্র্য, খাদ্যবৈচিত্র্য এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ পর্যায়ে পুষ্টির ওপর এর প্রভাব: নির্বাচিত খানার ওপর সমীক্ষা’ শীর্ষক এক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপনায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদার লেভারেজিং

LANSA-BRAC joint study reveals Crop diversification have positive impact on nutritional intake

Press Release. Dhaka, 12 December 2017. Crop diversification helps increase the intake of nutritious food by giving households more options in food items to choose from. A study, conducted from 2010-11 to 2014-15, reveals that underweight population among the participant community reduced by 4.5 per cent over this period. The findings further show that over the study period normal weight population among the participating households increased by 2.3 per cent.

Pages

Subscribe to RSS - Press Releases

South Asia Focus

Funded by UK DFID

This research has been funded by the UK Government’s Department for International Development; however the views expressed do not necessarily reflect the UK Government’s official policies

partners

Newsletter

Follow Us